Recents in Beach

বিশ্বকাপের আগে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২৭ রানে হার বাংলাদেশের

 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় হেরেছে বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচে ২৭ রানে লজ্জার হার। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ শেষ হল ৩-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান তুলেছে বাংলাদেশ।


বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড ‘বি’দলের বিপক্ষে সিরিজ জিতলেও বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দলের শেষ ম্যাচেই আফিফ হোসেন ছাড়া কোন কেউ সুবিধা করতে পারেনি। আফিফ দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। তার ৩৩ বলের ইনিংসে দুটি বাউন্ডারি ও তিনটি ছক্কা রয়েছে।


এছাড়া  সর্বোচ্চ ২৩ করে রান করেন দুজন। ওপেনার নাঈম শেষ ২১ বলে তিন বাউন্ডারিতে ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ২১ বলে একটি করে চার ছক্কায় ২৩ রান করেন। এছাড়া বাংলাদেশের আর কোন ব্যাটসম্যান নিউজিল্যান্ডের বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। আজও ব্যর্থ হয়েছেন লিটন। শেষ ম্যাচে সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ সৌম্য সরকার। লিটন ১২ বলে ১০ আর সৌম্য ৯ বলে ৪ রান করে বিদায় নেন।

ব্যর্থতার ষোলকরা পূর্ণ করেছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমও। ৮ বলে ৩ রান করে বিদায় নেন তিনি।  এছাড়া বিশ্বকাপ দলে থাকা নুরুল হাসান ৪ ও শামীম হোসেন ২ রান করে বিদায় নেন। সেখানে পেসার তাসকিন ৪ বলে ৯ রান করেন। 


এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬২ রান তুলেছে সফরকারীরা। ওপেনিং জুটিতে ৫.৪ ওভারে ৫৮ রান তোলেন ফিন অ্যালন ও রাবীন্দ্র। ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠা এই দুই ব্যাটস্যানকে ফেরান শরিফুল ইসলাম। রবীন্দ্র (১২ বলে ১৭) করে শরিফুলের বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন। 


একই ওভারের শেষ বলে বাঁহাতি এই পেসারের দারুণ এক ডেলিভারিতে পেছনের স্ট্যাম্প উম্মুক্ত করে বোল্ড হন অ্যালন। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় কিউই ওপেনার করেন ৪১ রান। এরপর দ্রুত আরও দুটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। আফিফ হোসেনের ঘূর্ণিতে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হন উইল ইয়ং (৬)। আরও একবার ব্যর্থ কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম।


সিরিজে চতুর্থবারের মতো নাসুম আহমেদের শিকার হন গ্র্যান্ডহোম (৯)। ৮৩ রানে ৪ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। তাতে কিউইদের রানের গতি স্লথ হয়ে পড়ে। ১১ থেকে ১৪-চার ওভারে সফরকারিরা তুলতে পারে মাত্র ১৫ রান। টম ল্যাথাম আর হেনির নিকোলস চালিয়ে খেলার বদলে ধরে খেলায় মনোযোগ দেন। তাদের ৩৪ বলে ৩৫ রানের জুটিটি ইনিংসের ১৭তম ওভারে ভাঙেন তাসকিন। এই উইকেট শিকারে অবশ্য কিপার নুরুল হাসান সোহানেরও অবদান কম নয়। তাসকিনের ওয়াইড ইয়র্কারে ব্যাট চালিয়েছিলেন নিকোলস (২১ বলে ২১), ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন সোহান। বল হাতে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। শরিফুল ৪ ওভারে ৪৮ রানে নেন দুটি উইকেট।

Post a Comment

0 Comments